MESSI vs CRISTIANO 2013–14: একজনের সামনে শরীরের সীমাবদ্ধতা, অন্যজনের সামনে নতুন আক্রমণাত্মক স্বাধীনতা২০১২–১৩ মরশুম নিয়ে লিখতে গিয়ে একটা কথা বলেছিলাম।Messi ক্রমশ এমন একজন ফুটবলার হয়ে উঠছিলেন, যিনি একই সঙ্গে আক্রমণের শুরু, মাঝখান এবং শেষ—তিনটাতেই অংশ নিচ্ছেন।অন্যদিকে Cristiano ক্রমশ নিজের ফুটবলকে গোলের দিকে আরও সরাসরি, আরও কার্যকর এবং আরও ধারালো করে তুলছিলেন।২০১৩–১৪-তে এসে এই দুই বিবর্তনের মধ্যে একটা অদ্ভুত বৈপরীত্য তৈরি হলো।Messi-র সামনে প্রশ্ন—শরীর যখন আগের মতো সাড়া দিচ্ছে না, তখন নিজের অসাধারণ প্রতিভাকে কীভাবে ব্যবহার করবেন?Cristiano-র সামনে প্রশ্ন—একটা দল যদি তাঁর জন্য আরও ভালোভাবে আক্রমণের জায়গা তৈরি করে দেয়, তাহলে তাঁর গোল করার ক্ষমতা কতদূর যেতে পারে?আমার কাছে ২০১৩–১৪ তাই শুধু Messi বনাম Cristiano নয়।এটা একদিকে শারীরিক সীমাবদ্ধতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সংগ্রাম, অন্যদিকে একজন গোলশিকারির দক্ষতাকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের গল্প।আর এই দুই গল্পের পিছনে রয়েছেন দুজন নতুন কোচ।Barcelona-য় Tata Martino।Real Madrid-এ Carlo Ancelotti।—১. প্রথমেই সংখ্যাগুলো দেখি২০১৩–১৪ ক্লাব মরশুম| Messi| Cristianoসব প্রতিযোগিতায় ম্যাচ| ৪৬| ৪৭সব প্রতিযোগিতায় গোল| ৪১| ৫১La Liga-তে গোল| ২৮| ৩১Champions League-এ গোল| ৮| ১৭Champions League| কোয়ার্টার ফাইনাল| চ্যাম্পিয়নLa Liga| দ্বিতীয়| তৃতীয়এই মরশুমে Cristiano স্পষ্টভাবেই বেশি গোল করেছেন।বিশেষ করে Champions League-এ ১৭ গোল করে নতুন রেকর্ড গড়লেন।কিন্তু এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে।Messi-র ৪১ গোল তাঁর নিজের আগের মানদণ্ডে কম। সাধারণ ফুটবলের মানদণ্ডে নয়।অন্যদিকে Cristiano-র ৫১ গোল অসাধারণ হলেও শুধু সংখ্যাটা দেখলে বোঝা যাবে না Ancelotti তাঁর ফুটবলকে কীভাবে ব্যবহার করেছিলেন।আমার কাছে তাই পরিসংখ্যান আলোচনার শুরু, শেষ নয়।—২. দুই নতুন কোচ — দুই আলাদা আক্রমণাত্মক দর্শনGuardiola-র Barcelona-তে Messi-র অবস্থান ক্রমশ কেন্দ্রীয় হয়ে উঠেছিল।Tito Vilanova সেই কাঠামোর অনেকটাই ধরে রেখেছিলেন।কিন্তু Tata Martino এসে কিছু পরিবর্তন আনতে চাইলেন।শুধু ছোট পাস নয়।প্রয়োজনে দ্রুত সামনে যাওয়া।দূরের খেলোয়াড়কে সরাসরি বল পৌঁছে দেওয়া।প্রতিপক্ষের রক্ষণ সংগঠিত হওয়ার আগেই আক্রমণ করা।এগুলো যুক্তিসংগত পরিবর্তন।কিন্তু Barcelona-র খেলোয়াড়দের দীর্ঘদিনের অভ্যাস ছিল বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রতিপক্ষের অবস্থান বদলে দেওয়া।নতুন ও পুরোনো পদ্ধতির মধ্যে সমন্বয় সবসময় নিখুঁত হয়নি।অন্যদিকে Ancelotti-র Madrid-এ নতুন একটা আক্রমণাত্মক কাঠামো তৈরি হচ্ছিল।Cristiano।Benzema।নতুন আসা Gareth Bale।পিছনে Modrić।Di María।Xabi Alonso।এই দল একই সঙ্গে বল রাখতে পারে, মাঝমাঠ দিয়ে এগোতে পারে, আবার প্রচণ্ড গতিতে পাল্টা আক্রমণও করতে পারে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—Cristiano-কে প্রত্যেক আক্রমণ নিজে তৈরি করতে হচ্ছে না।তাঁর জন্য একাধিক খেলোয়াড় আক্রমণের পরিস্থিতি তৈরি করছেন।এটাই দুই দলের বড় পার্থক্য।—৩. MESSI বলের দিকে আসছেন, CRISTIANO গোলের দিকে যাচ্ছেনআগের লেখাগুলোতেও এই পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করেছি।কিন্তু ২০১৩–১৪-তে সেটা আরও পরিষ্কার।Messi মাঝখান থেকে নিচে নামছেন।বল নিচ্ছেন।ঘুরছেন।পাস দিচ্ছেন।আবার সামনে যাচ্ছেন।কখনও ডানদিকে সরে যাচ্ছেন।কখনও মাঝমাঠের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করছেন।তাঁর আক্রমণাত্মক প্রভাবের বড় অংশ তৈরি হচ্ছে বলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কের মাধ্যমে।Cristiano-র ক্ষেত্রে অনেক সময় উল্টো।তিনি বাঁদিকে দাঁড়িয়ে আছেন।Benzema নিচে এলেন।Cristiano ভিতরে ঢুকলেন।Bale ডানদিকে বল পেলেন।Cristiano দূরের পোস্টের দিকে এগোলেন।Di María বল নিয়ে উঠলেন।Cristiano রক্ষণের পিছনে দৌড় শুরু করলেন।এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য—Messi অনেক সময় বলের কাছে এসে আক্রমণের দিক নির্ধারণ করছেন।Cristiano অনেক সময় বল থেকে দূরে গিয়ে আক্রমণের শেষ জায়গাটা দখল করছেন।তবে Cristiano-কে শুধু শেষ আঘাতের খেলোয়াড় ভাবলে ভুল হবে। তিনি তখনও বল নিয়ে দৌড়াতে, পাস দিতে এবং সুযোগ তৈরি করতে পারেন।পার্থক্যটা ক্ষমতায় নয়, কোন ক্ষমতাকে দল বেশি ব্যবহার করছে সেখানে।—৪. BALE-এর আগমন CRISTIANO-র জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?Bale-এর আগমন Madrid-এর আক্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করল।কারণ এখন শুধু Cristiano-র গতির উপর নির্ভর করতে হচ্ছে না।অন্য দিকেও একজন অসাধারণ দ্রুত ফুটবলার।Bale ডানদিক দিয়ে এগোতে পারেন।দূর থেকে shot নিতে পারেন।রক্ষণের পিছনে দৌড়াতে পারেন।ফলে প্রতিপক্ষের পক্ষে শুধু Cristiano-র দিকটা শক্ত করে রাখলেই হচ্ছে না।অন্য দিকেও বিপদ।এখানে Cristiano-র একটা বড় সুবিধা তৈরি হলো।আগে অনেক সময় তিনি নিজেই বল নিয়ে আক্রমণ এগিয়ে নিয়ে যেতেন।এখন Bale বা Di María বল এগিয়ে নিয়ে গেলে Cristiano সরাসরি গোলের কাছাকাছি অবস্থান নিতে পারেন।অর্থাৎ—Cristiano-র নিজের গতির পাশাপাশি অন্যের গতিও তাঁর জন্য সুযোগ তৈরি করছে।এটাই Ancelotti-র আক্রমণের একটা বড় শক্তি।—৫. BENZEMA — CRISTIANO-র জন্য জায়গা তৈরির শিল্পীBenzema-র ভূমিকাটাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।তিনি শুধু পেনাল্টি বক্সে দাঁড়িয়ে থাকা striker নন।নিচে আসেন।বল ধরে রাখেন।ছোট পাস খেলেন।ডিফেন্ডারকে নিজের দিকে টানেন।এখন centre-back-এর সামনে সমস্যা।Benzema-কে অনুসরণ করবেন?তাহলে পিছনে জায়গা তৈরি হতে পারে।সেই জায়গায় Cristiano ঢুকছেন।Benzema-কে ছেড়ে দেবেন?তাহলে তিনি বল নিয়ে আক্রমণ তৈরি করতে পারবেন।অর্থাৎ Benzema অনেক সময় নিজের অবস্থান বদলে Cristiano-র জন্য রাস্তা খুলে দিচ্ছেন।এখানে একটা মজার মিল আছে।Guardiola-র false 9 Messi-ও centre-back-কে নিজের দিকে টেনে অন্যদের জন্য জায়গা তৈরি করতেন।কিন্তু Madrid-এ অনেক সময় Benzema সেই কাজটা করছেন—আর Cristiano সেই জায়গার সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যবহারকারী।—৬. NEYMAR-এর আগমন MESSI-র ক্ষেত্রে অন্য ধরনের পরিবর্তনBarcelona-য় Neymar এলেন।তিনি Bale-এর মতো শুধু গতির অস্ত্র নন।Neymar নিজেও বল পায়ে আক্রমণ তৈরি করতে পারেন।ডিফেন্ডার কাটাতে পারেন।ছোট জায়গায় খেলতে পারেন।বাঁদিক থেকে ভিতরে আসতে পারেন।অর্থাৎ Messi প্রথমবার এমন একজন তরুণ আক্রমণসঙ্গী পেলেন, যিনি নিজেও ব্যক্তিগত দক্ষতায় রক্ষণ ভাঙতে সক্ষম।কিন্তু সমস্যা হলো—Messi এবং Neymar দুজনেই অনেক সময় বল পায়ে নিয়ে ভিতরের দিকে খেলতে পছন্দ করেন।তাই তাঁদের মধ্যে জায়গা ভাগ করে নেওয়ার সমন্বয় দরকার।কে চওড়া জায়গায় থাকবেন?কে ভিতরে আসবেন?কে ডিফেন্ডারকে টানবেন?কে পিছনের ফাঁকা জায়গায় দৌড়াবেন?এই সম্পর্ক তখনও তৈরি হচ্ছে।Madrid-এর BBC—Bale, Benzema, Cristiano—একই মরশুমে দ্রুত একটা কার্যকর আক্রমণাত্মক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল।Barcelona-র Messi–Neymar সম্পর্কের পূর্ণ সম্ভাবনা প্রকাশ পেতে আরও সময় লাগবে।—৭. DRIBBLING — MESSI এখনও এগিয়ে, কিন্তু পরিস্থিতি বদলাচ্ছেআমার কাছে খুব ছোট জায়গায় বল নিয়ে ডিফেন্ডার কাটানোর ক্ষেত্রে Messi-র স্বাভাবিক দক্ষতা এখনও আলাদা স্তরের।ছোট ছোট স্পর্শ।নিচু ভারকেন্দ্র।শরীরের ভারসাম্য।এক পা থেকে অন্য পায়ে ওজন সরানোর ছলনা।হঠাৎ গতি বাড়ানো।Cristiano-র dribbling অন্য ধরনের।তাঁর stride বড়।বল একটু সামনে ঠেলে গতি বাড়াতে পারেন।শরীরের শক্তি ব্যবহার করতে পারেন।একজন defender-এর সামনে step-over করে বাইরে বা ভিতরে যেতে পারেন।কিন্তু ২০১৩–১৪-তে Cristiano ক্রমশ অপ্রয়োজনীয় dribbling কমাচ্ছেন।কারণ তাঁর উদ্দেশ্য আর প্রত্যেক defender-কে হারানো নয়।গোলের কাছে সবচেয়ে দ্রুত পৌঁছনো।Messi-র ক্ষেত্রে বিপরীত সমস্যা।তিনি এখনও ছোট জায়গায় defender কাটাতে পারেন।কিন্তু বারবার hamstring injury তাঁর বিস্ফোরক গতির ধারাবাহিকতাকে প্রভাবিত করছে।এখানে একটা technical বিষয় আছে।Messi-র dribbling শুধু close control নয়।Close control + sudden acceleration।দ্বিতীয় অংশটা সীমিত হলে প্রথম অংশের কার্যকারিতাও কমতে পারে।—৮. ACCELERATION বনাম SPRINTING — দুজনের গতির প্রকৃতিMessi-র গতি অনেক সময় প্রথম দুই-তিন metre-এ সবচেয়ে বিপজ্জনক।তিনি ধীরে চলছেন।Defender কাছে এল।একটা ছোট touch।তারপর হঠাৎ গতি।Defender-এর ভারসাম্য নষ্ট।Cristiano-র গতি অনেক সময় বড় জায়গায় আরও ধ্বংসাত্মক।তিনি দৌড় শুরু করলেন।লম্বা stride।Defender পিছিয়ে যাচ্ছে।দূরত্ব বাড়ছে।এখানে পার্থক্যটা আমার কাছে—Messi defender-এর ভারসাম্য নিয়ে খেলছেন।Cristiano defender-এর সঙ্গে দূরত্ব নিয়ে খেলছেন।২০১৩–১৪-তে Messi-র চোট প্রথম ধরনের গতিকে কিছু সময়ের জন্য সীমিত করেছিল।Cristiano-র ক্ষেত্রেও শারীরিক সমস্যা ছিল, বিশেষ করে মরশুমের শেষদিকে। তাই তাঁকেও পুরো মরশুম অক্ষত শরীরে খেলেছেন বলা ঠিক হবে না।তবু সামগ্রিকভাবে Cristiano তাঁর গতিনির্ভর ও গোলমুখী খেলা বেশি ধারাবাহিকভাবে কার্যকর করতে পেরেছিলেন।—৯. MESSI-র চোট বনাম CRISTIANO-র কার্যকারিতানভেম্বর ২০১৩-তে Messi-র hamstring injury তাঁকে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে রাখল।এখানে একটা বড় বিষয় হলো ছন্দ।একজন ফুটবলার ম্যাচ খেলতে খেলতে শুধু fitness অর্জন করেন না।তিনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ছন্দও তৈরি করেন।কখন দৌড়াবেন।কখন বল ছাড়বেন।কখন defender-এর সামনে ঝুঁকি নেবেন।বারবার চোট পেলে সেই ধারাবাহিকতা নষ্ট হতে পারে।Cristiano-র ক্ষেত্রে মরশুমের বড় অংশে গোল করার ছন্দ বজায় ছিল।তবে একটা ভুল ধারণা এড়াতে চাই।Messi-র কম গোলের একমাত্র কারণ চোট নয়।Barcelona-র আক্রমণাত্মক কাঠামো, প্রতিপক্ষের রক্ষণ, Neymar-এর সঙ্গে নতুন সমন্বয়—সবই গুরুত্বপূর্ণ।আবার Cristiano-র বেশি গোলের একমাত্র কারণ তাঁর ব্যক্তিগত উন্নতিও নয়।Madrid-এর দলগত কাঠামোও তাঁকে সাহায্য করেছে।—১০. SHOOTING — CRISTIANO-র অস্ত্রের পরিধিCristiano-র একটা অসাধারণ সুবিধা হলো দূর থেকে shot নেওয়ার ক্ষমতা।জোরালো shot।চলন্ত অবস্থায় shot।ডান পায়ে।বাঁ পায়ে।বক্সের বাইরে।বক্সের ভিতরে।Free-kick।এবং অবশ্যই header।Messi-র finishing-এর বড় শক্তি অনেক সময় পরিস্থিতিকে নিজের পক্ষে নিয়ে আসা।Goalkeeper কোথায়?Defender কোন দিক বন্ধ করছেন?কোন angle-এ shot নিলে সুবিধা?আরেকটা ছোট touch নেবেন?নাকি সঙ্গে সঙ্গে মারবেন?Cristiano অনেক সময় কঠিন shooting position থেকেও প্রচণ্ড শক্তি তৈরি করতে পারেন।Messi অনেক সময় shooting position-টাকেই আরও ভালো করে নেন।তাই আমার কাছে—Cristiano-র shooting range বেশি বিস্তৃত।Messi-র ছোট জায়গায় shot তৈরির দক্ষতা বেশি সূক্ষ্ম।অবশ্যই দুজনেই দুই ধরনের গোল করতে সক্ষম।পার্থক্যটা তাঁদের প্রধান অস্ত্রের প্রকৃতিতে।—১১. AERIAL FOOTBALL — CRISTIANO-র স্পষ্ট সুবিধাএই জায়গায় Cristiano অনেক এগিয়ে।Height।Jump।Timing।বাতাসে শরীরের নিয়ন্ত্রণ।Header-এর শক্তি।Cross আসার আগেই সঠিক জায়গায় পৌঁছে যাওয়া।এগুলো তাঁর আক্রমণে বাড়তি মাত্রা যোগ করে।Messi-কে আটকাতে প্রতিপক্ষ মূলত মাটির জায়গা নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা করে।Cristiano-র ক্ষেত্রে শুধু মাটির জায়গা বন্ধ করলেই হবে না।Cross এলে বাতাসেও তাঁকে আটকাতে হবে।এটাই Cristiano-র আক্রমণাত্মক বৈচিত্র্যের একটা বড় সুবিধা।—১২. PLAYMAKING — MESSI-র দায়িত্ব এখনও অনেক বেশিএই জায়গায় Messi-র ভূমিকা আলাদা।তিনি মাঝমাঠে নামছেন।বল নিচ্ছেন।ডিফেন্ডারকে নিজের দিকে টানছেন।পাসের রাস্তা তৈরি করছেন।আবার সামনে যাচ্ছেন।Cristiano-ও সুযোগ তৈরি করতে পারেন।তাঁর পাস দেওয়ার দক্ষতা এবং আক্রমণের পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা অবহেলা করা উচিত নয়।কিন্তু Madrid-এর দলে Modrić, Di María, Xabi Alonso এবং Benzema-র মধ্যে আক্রমণ তৈরির দায়িত্ব অনেকটা ভাগ করা।ফলে Cristiano-কে সব সময় আক্রমণের শুরুতে থাকতে হচ্ছে না।Barcelona-য় Messi-র উপর শেষ তৃতীয়াংশে আক্রমণ তৈরি করার দায়িত্ব অনেক বেশি।এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য—Cristiano অনেক সময় আক্রমণের সবচেয়ে বিপজ্জনক সমাপ্তিকারী।Messi অনেক সময় আক্রমণের নির্মাতা এবং সমাপ্তিকারী—দুটোই।তবে এটা কোনও কঠোর বিভাজন নয়; দুজনেই প্রয়োজনে অন্য ভূমিকাও পালন করেন।—১৩. ATLÉTICO MADRID — MESSI-র বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাএই মরশুমে Atlético Madrid-কে বাদ দিয়ে Messi-র আলোচনা অসম্পূর্ণ।Diego Simeone-র দল।সংগঠিত রক্ষণ।মাঝমাঠ এবং রক্ষণের দূরত্ব কম।একজন defender এগোলে অন্যজন তাঁর জায়গা নিচ্ছেন।Messi-র সামনে জায়গা কম।Ball পেলেও ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন।এখানে Atlético শুধু Messi-কে আটকাচ্ছে না।Messi-র চারপাশের আক্রমণাত্মক সম্পর্কগুলোও দুর্বল করে দিচ্ছে।Barcelona Champions League quarter-final-এ Atlético-র কাছে বাদ পড়ল।La Liga-র শেষ ম্যাচেও Atlético-কে হারাতে পারল না।এটা Messi-র ব্যক্তিগত ব্যর্থতার পাশাপাশি Barcelona-র দলগত সমস্যারও প্রমাণ।কারণ Messi-কে ঘিরে যে central attacking system তৈরি হয়েছিল, Atlético সেটাকে খুব ভালোভাবে সীমিত করতে পেরেছিল।—১৪. CRISTIANO-র MADRID-ও ATLÉTICO-র বিরুদ্ধে সমস্যায় পড়েছিলএখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য রাখা দরকার।Atlético শুধু Barcelona-র জন্য কঠিন ছিল না।Madrid-এর জন্যও ছিল।Champions League final-এ Atlético প্রায় জিতেই গিয়েছিল।Diego Godín-এর goal।Madrid পিছিয়ে।৯০ মিনিট শেষের দিকে।তারপর Sergio Ramos-এর সমতা ফেরানো header।Extra time-এ Bale।Marcelo।শেষে Cristiano-র penalty।Madrid 4–1 জিতল।La Décima।এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার।Cristiano-র ১৭তম Champions League goal final-এর শেষ দিকে penalty থেকে এসেছিল।এটা Madrid-এর জয় নিশ্চিত করেছিল, কিন্তু জয়ের মোড় ঘুরিয়েছিল Ramos-এর সমতা ফেরানো goal এবং পরে Bale-এর এগিয়ে দেওয়া goal।এই পার্থক্যটা গুরুত্বপূর্ণ।কারণ একজন ফুটবলারের মরশুমের শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে গিয়ে প্রতিটি বড় জয়কে তাঁর একার কৃতিত্ব বলা ঠিক নয়।—১৫. CHAMPIONS LEAGUE — CRISTIANO-র ঐতিহাসিক মরশুমএই প্রতিযোগিতায় Cristiano সত্যিই অসাধারণ ছিলেন।১৭ গোল।একটা Champions League মরশুমে সেই সময়ের নতুন রেকর্ড।Group stage থেকেই ধারাবাহিক গোল।Schalke-র বিরুদ্ধে গোল।Bayern Munich-এর বিরুদ্ধে semi-final second leg-এ দুই গোল।Final-এ penalty।এই গোলগুলো Cristiano-র একটা বড় গুণ দেখায়।তিনি বিভিন্ন ধরনের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গোল করতে পারেন।High line।Deep defence।Transition।Set-piece।Box movement।আর এই মরশুমে Madrid তাঁর জন্য এমন আক্রমণাত্মক পরিবেশ তৈরি করেছিল যেখানে সেই সব অস্ত্র ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে।Messi Champions League-এ আট গোল করেছিলেন।কিন্তু Barcelona quarter-final-এই বাদ পড়ে।তাই শুধু গোলসংখ্যা নয়, দুজনের সামনে সুযোগের সংখ্যাও আলাদা ছিল।তবু Cristiano-র ১৭ গোলের কৃতিত্ব অসাধারণ।—১৬. BAYERN-এর বিরুদ্ধে CRISTIANO — এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত২০১৩ সালে Bayern Barcelona-কে aggregate-এ ৭–০ হারিয়েছিল।২০১৪ সালে Ancelotti-র Madrid সেই Bayern-কে semi-final-এ aggregate-এ ৫–০ হারাল।Cristiano second leg-এ দুই গোল করলেন।এখানে Madrid-এর football-এর একটা বিশেষ শক্তি দেখা যায়।Bayern বল রাখতে চাইছে।Madrid সংগঠিত রক্ষণ করছে।সুযোগ পেলে দ্রুত সামনে যাচ্ছে।Bale।Benzema।Cristiano।এমনকি অল্প জায়গা পেলেও Madrid আক্রমণকে দ্রুত গোলের দিকে নিয়ে যেতে পারছে।Cristiano-র জন্য এই ধরনের পরিস্থিতি অত্যন্ত অনুকূল।কিন্তু এটাকে শুধু Cristiano বনাম Bayern হিসেবে দেখলে ভুল হবে।Madrid-এর দলগত রক্ষণ, set-piece এবং দ্রুত আক্রমণ—সব মিলিয়েই সেই জয়।—১৭. EL CLÁSICO — কিন্তু MESSI-ও তো এখনও MESSIএই মরশুমে একটা ঘটনা ভুললে চলবে না।২৩ মার্চ ২০১৪।Santiago Bernabéu।Real Madrid 3–4 Barcelona।Messi hat-trick।এবং ম্যাচে Iniesta-র গোল তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।এই ম্যাচটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।কারণ এই মরশুমে Messi-র সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করলেও—তাঁর অসাধারণ ক্ষমতা যে এখনও অক্ষত ছিল, Bernabéu-র এই ম্যাচ তার বড় প্রমাণ।এখানে Messi শুধু গোল করলেন না।চাপের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিলেন।সঠিক জায়গায় বল পৌঁছে দিলেন।গোলের সুযোগ তৈরি করলেন।Penalty-র চাপ সামলালেন।অর্থাৎ ২০১৩–১৪ Messi-কে শুধু চোটগ্রস্ত বা নিষ্প্রভ ফুটবলার হিসেবে দেখলে ভুল হবে।তিনি এখনও বড় ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে সক্ষম।—১৮. তাহলে CRISTIANO বেশি সফল হলেন কেন?আমার কাছে উত্তরটা একাধিক স্তরে।প্রথমত, তিনি বেশি ধারাবাহিকভাবে গোল করতে পেরেছেন।দ্বিতীয়ত, Madrid-এর আক্রমণে তাঁর জন্য কার্যকর জায়গা তৈরি হচ্ছিল।তৃতীয়ত, Benzema এবং Bale-এর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গোলমুখী ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করেছিল।চতুর্থত, Champions League-এ Madrid দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে।পঞ্চমত, Barcelona-র তুলনায় Madrid এই মরশুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় দলগতভাবে বেশি সফল হয়েছে।তবে একটা বিষয় মনে রাখা দরকার।La Liga জিতেছিল Atlético Madrid।Barcelona দ্বিতীয়।Real Madrid তৃতীয়।অর্থাৎ Cristiano-র Madrid-ও সব প্রতিযোগিতায় সফল হয়নি।কিন্তু Champions League এবং Copa del Rey জেতার কারণে তাঁদের মরশুমের শেষটা অনেক বেশি উজ্জ্বল।—১৯. MESSI-র ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় PROBLEM কী ছিল?আমার কাছে তিনটি বিষয় একসঙ্গে কাজ করছিল।প্রথমত, শরীর।বারবার পেশির চোট।ফলে খেলার ছন্দে ব্যাঘাত।দ্বিতীয়ত, প্রতিপক্ষের প্রস্তুতি।Messi-র false 9 movement এখন আর নতুন নয়।তাঁর বল পাওয়ার জায়গা, ভিতরে আসার পথ এবং ছোট পাসের সম্পর্কগুলো প্রতিপক্ষ অনেক ভালোভাবে বুঝছে।তৃতীয়ত, Barcelona-র আক্রমণাত্মক কাঠামো।Neymar এসেছেন।কিন্তু তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক তখনও তৈরি হচ্ছে।একজন প্রকৃত কেন্দ্রীয় forward-এর অভাবে Messi নিচে নামলে পিছনের জায়গা সব সময় যথেষ্ট কার্যকরভাবে ব্যবহার হচ্ছে না।এই তিনটি সমস্যা একসঙ্গে Messi-র প্রভাবকে কিছু ম্যাচে সীমিত করেছে।—২০. DEFENDER-এর চোখ দিয়ে দুজনকে দেখিধরুন আমি একজন defender।আমার সামনে Messi।আমি এগিয়ে যাব?তিনি পাশ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন।আমি পিছিয়ে থাকব?তিনি ঘুরে দাঁড়িয়ে pass দিতে পারেন।দ্বিতীয় defender ডাকব?অন্য জায়গায় Neymar বা Iniesta free হতে পারেন।এখানে Messi আমাকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যায় ফেলছেন।এবার Cristiano।আমি defensive line উঁচু রাখব?তিনি পিছনে দৌড়াবেন।নিচে নামব?দূর থেকে shot।ভিতরের রাস্তা বন্ধ করব?বাইরে যেতে পারেন।Cross এল?Header।অর্থাৎ Cristiano আমাকে মাঠের জায়গা এবং শারীরিক সক্ষমতার সমস্যা দিচ্ছেন।আমার কাছে এই পার্থক্যটা খুব সুন্দর।Messi defender-কে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে চান।Cristiano defender-কে এমন শারীরিক ও অবস্থানগত সমস্যায় ফেলতে চান, যার সমাধান করাই কঠিন।—২১. ২০১৩–১৪-তে কার FOOTBALL বেশি COMPLETE?এখানে আমার কাছে ‘complete’ শব্দটা একটু সমস্যাজনক।কারণ কোন গুণকে কতটা গুরুত্ব দেব?Cristiano-র সুবিধা—দূরপাল্লার শক্তিশালী shot।বাতাসে আধিপত্য।দুই পায়ে গোল করার ক্ষমতা।খোলা মাঠে দীর্ঘ দৌড়।গোলের সামনে movement।Messi-র সুবিধা—খুব ছোট জায়গায় বল নিয়ন্ত্রণ।শরীরের ভারসাম্য।ঘন রক্ষণের মধ্যে dribbling।মাঝমাঠের সঙ্গে combination।খেলা তৈরি।রক্ষণের অবস্থান বদলে দেওয়া।অর্থাৎ দুজনেরই আলাদা শক্তি আছে।কিন্তু ২০১৩–১৪-র পারফরম্যান্স বিচার করলে Cristiano-র গোল করার ধারাবাহিকতা এবং Champions League-এ প্রভাব বেশি ছিল।অন্যদিকে Messi-র বৃহত্তর সৃষ্টিশীল সামর্থ্য এই মরশুমে সবসময় আগের মতো কার্যকরভাবে প্রকাশ পায়নি।—২২. একটা বড় PARADOX — MESSI-র কম GOAL, CRISTIANO-র বেশি GOAL২০১১–১২-তে Messi ৭৩ গোল করেছিলেন।Cristiano ৬০।২০১২–১৩-তে Messi ৬০।Cristiano ৫৫।২০১৩–১৪-তে ছবিটা উল্টে গেল।Messi ৪১।Cristiano ৫১।কিন্তু আমার কাছে এই পরিবর্তনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক—Messi-র প্রতিভা হঠাৎ কমে যায়নি।তাঁর খেলার পরিবেশ বদলেছে।শরীরের সমস্যা এসেছে।প্রতিপক্ষের রক্ষণ উন্নত হয়েছে।অন্যদিকে Cristiano এমন একটা দল পেয়েছেন, যেখানে তাঁর সবচেয়ে কার্যকর আক্রমণাত্মক গুণগুলো আরও ভালোভাবে ব্যবহার হচ্ছে।এই কারণেই football-এ শুধু individual talent দিয়ে সব season ব্যাখ্যা করা যায় না।Talent গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু talent কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।—২৩. এই মরশুম ভবিষ্যতের জন্য কী রেখে গেল?Cristiano-র জন্য ২০১৩–১৪ একটা বড় স্বীকৃতি।তিনি Champions League জিতলেন।১৭ গোলের রেকর্ড করলেন।Bale–Benzema-র সঙ্গে নতুন আক্রমণাত্মক সম্পর্ক তৈরি করলেন।নিজের গোলমুখী ফুটবলকে আরও পরিণত করলেন।Messi-র জন্য মরশুমটা অন্য ধরনের শিক্ষা।শুধু false 9 হয়ে থাকলে চলবে না।শুধু নিজের dribbling দিয়ে সবসময় রক্ষণ ভাঙা যাবে না।শরীরের উপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে হবে।বল পাওয়ার জায়গা বদলাতে হবে।অন্যদের আরও বেশি আক্রমণের দায়িত্ব দিতে হবে।আর সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—নিজে সব আক্রমণ তৈরি করার বদলে অন্যদের সঙ্গে এমন সম্পর্ক তৈরি করতে হবে, যেখানে Messi কম দৌড়েও বেশি প্রভাব ফেলতে পারেন।—শেষ কথাআমার কাছে ২০১৩–১৪ Messi–Cristiano comparison-এর সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—দুজনের বিবর্তন কখনও একই গতিতে এগোয়নি।একজন যখন নতুন উচ্চতায় উঠছেন, অন্যজন তখন নিজের খেলার নতুন প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছেন।Cristiano এই মরশুমে যেন নিজের ফুটবলকে আরও নিখুঁতভাবে একটা লক্ষ্যের দিকে নিয়ে গেলেন।গোল।আরও ভালো movement।আরও ভালো timing।আরও বেশি গোলের সুযোগ।আরও কার্যকর finishing।Madrid-এর আক্রমণাত্মক কাঠামো তাঁকে সেই স্বাধীনতা দিয়েছে।Messi-র ক্ষেত্রে গল্পটা অন্যরকম।তাঁর কাছে এখনও অসাধারণ dribbling আছে।Passing আছে।Finishing আছে।খেলা পড়ার ক্ষমতা আছে।কিন্তু শরীর এবং দলের কাঠামো তাঁকে আগের মতো সবসময় সাহায্য করছে না।তাই আমার কাছে ২০১৩–১৪ Messi-র পরাজয়ের গল্প নয়।এটা নতুন Messi-র প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে ওঠার গল্প।আর Cristiano-র ক্ষেত্রে—এটা তাঁর গোলমুখী ফুটবলকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার সাফল্যের গল্প।একজন নিজের আক্রমণাত্মক দক্ষতাকে আরও বিশেষায়িত করছেন।অন্যজন বুঝতে শুরু করছেন, নিজের বিস্তৃত দক্ষতাকে নতুনভাবে সাজানো দরকার।এবং এখানেই পরের মরশুমের দরজা খুলে যাচ্ছে।২০১৪–১৫।Luis Enrique।Neymar।Luis Suárez।Messi আবার ডানদিকে।কিন্তু পুরোনো winger হিসেবে নয়।এবার তিনি ডানদিক থেকে পুরো আক্রমণ পরিচালনা করবেন।মাঝখানে Suárez defender-দের ব্যস্ত রাখবেন।বাঁদিকে Neymar গোলের দিকে দৌড়াবেন।আর Messi?কখনও dribble।কখনও diagonal pass।কখনও defence-এর মাঝখান দিয়ে অসাধারণ through ball।কখনও নিজেই গোল।অর্থাৎ ২০১৩–১৪-তে যে সমস্যাগুলো তাঁকে আটকে দিয়েছিল, ২০১৪–১৫-তে সেগুলোর অনেকগুলোর নতুন উত্তর পাওয়া যাবে।আর এই কারণেই আমার কাছে Messi–Cristiano rivalry-র ২০১৩–১৪ অধ্যায়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ।Cristiano তখন নিজের গোল করার ক্ষমতার এক ঐতিহাসিক শিখরে উঠছেন।Messi তখন নিজের ফুটবলকে আবার নতুনভাবে সাজানোর প্রয়োজনের মুখোমুখি হচ্ছেন।একজনের মরশুম শেষ হচ্ছে La Décima দিয়ে।অন্যজনের মরশুম শেষ হচ্ছে বড় শিরোপার হতাশা নিয়ে।কিন্তু গল্পটা এখানেই শেষ নয়।কারণ পরের মরশুমে আমরা দেখব—Messi শুধু ফিরে আসবেনা। নিজের ফুটবলকেই নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করবেন।
Leave a Reply